রক্তদান হোক জীবনের বন্ধন, আর যুবসমাজ হোক পরিবর্তনের শক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, একসাথে কাজ করলে প্রতিটি উদ্যোগই পারে কারো জীবন বাঁচাতে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।
একজন আরেকজনের পাশে দাঁড়ানোই গড়ে তোলে একটি শক্তিশালী ও মানবিক সমাজ। আমরা বিশ্বাস করি—সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসা মানুষের মাঝে আস্থা তৈরি করে এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে এগিয়ে আসতে। একসাথে আমরা সব বাধা অতিক্রম করতে পারি এবং স্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
Jibon Youth Foundation - আমাদের সংগঠনটি সমাজের বিভিন্ন মানবিক কাজে অবদান রেখে যাচ্ছে। বিশেষ করে, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। মানবতার সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এই মানবিক কার্যক্রমের বিস্তারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।💗
Jibon Youth Foundation is actively working on health awareness and the Sustainable Development Goals (SDGs), with special focus on supporting the people of the Chittagong Hill Tracts. Their initiatives are meaningful, impactful, and truly commendable.
JYF is a youth-led nonprofit organization in Bangladesh that works on health awareness, blood donation, and sustainable development, with a strong focus on supporting underserved communities in the CHT. Their initiatives are truly commendable.
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে পার্বত্য রাঙামাটিতে Jibon অনেক ভাল কাজ করছে। আমি Jibon এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
The pioneer Organization which is Working for the community development and focusing on both Youth empowerment & Developing Skills. I wish all the very best and proud to be associated.
জীবনের সদস্য হিসেবে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো। আজীবন অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং অসহায় মানুষের সেবা করতে চাই।
"রক্তদান ঐচ্ছিক নয়,এটি দায়িত্বের চেয়ে বেশি কিছু" জীবন সংগঠন জীবন বাঁচানো জন্য লড়ে যাচ্ছে, মানবতার জয় হোক
রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ। আপনার দেওয়া এক ব্যাগ রক্ত বাঁচাতে পারে একটি মুমূর্ষু প্রাণ। তবে রক্তদানের আগে এবং পরে নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া এবং কিছু নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এতে আপনি যেমন সুস্থ
একটি সুস্থ ও সবল জাতির মেরুদণ্ড হলো তার তরুণ প্রজন্ম। বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, যার একটি বড় অংশ মেটানো সম্ভব যদি আমাদের তরুণ সমাজ এগিয়ে আসে। কিন্তু কেন রক্তদানের এই
রক্তদান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম উপহারগুলোর একটি। অথচ এই মহান কাজটি নিয়ে আমাদের সমাজে এমন কিছু ভিত্তিহীন ভয় ও ধারণা জেঁকে বসেছে যে, অনেক সামর্থ্যবান মানুষও রক্ত দিতে ভয় পান। জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, সঠিক জ্ঞানই
রক্তদান করার মাধ্যমে আপনি কেবল অন্যকে সাহায্য করছেন না, বরং আপনার নিজের শরীরেও নতুন রক্তকণিকা তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছেন। তবে রক্তদানের পর শরীর থেকে যে তরল এবং আয়রন সাময়িকভাবে কমে যায়, তা দ্রুত পূরণের জন্য
আমরা যখন রক্ত দিই, তখন আমরা সাধারণত মনে করি এটি কেবল একজন মানুষের শরীরে যাচ্ছে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের আশীর্বাদে এখন রক্তকে তার বিভিন্ন উপাদানে বিভক্ত করা সম্ভব। ফলে একজন দাতার দেওয়া মাত্র ৪৫০ মিলিলিটার রক্ত
আমরা সাধারণত ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে তখনই চিন্তা করি যখন আমাদের রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয় কিংবা কেউ অসুস্থ থাকে। কিন্তু জাপানিজ এবং কোরিয়ান পপ কালচারে ব্লাড গ্রুপকে দেখা হয় একজন মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আয়না হিসেবে। ১৯৩০-এর